স্বপ্ন নিয়ে আমার দ্বিতীয় পর্ব :


স্বপ্ন হতে হবে লিখিত।  চূড়ান্ত লক্ষ্য চূড়ান্ত হতে হবে অবশ্যই। আপনার স্বপ্ন যদি লিখতে না পারেন আর চূড়ান্ত করতে এ পারেন তার মানে আপনি আসলে এখনো কল্পনার জগতে আছেন ,ওটা স্বপ্ন নয়। 


এটোমি বাংলাদেশে নিয়ে আশা এবং প্রতি ১৫ দিনে ৫০ হাজার ইউএস ডলার ইনকাম করা আমার চূড়ান্ত স্বপ্ন। 

এখন প্রশ্ন হচ্ছে 

১) এটা কি বাস্তবে সম্ভব কি না ?

২) যদি সম্ভব হয় কতদিন সময় লাগবে ?

৩) এই স্বপ্ন পূরণে করণীয় কি ?

প্রশ্ন ১ এর উত্তর : অবশ্যই এটা বাস্তবে সম্ভব। কারণ প্রায় ১৬ টি দেশের ৫০০০০ হাজার এর বেশি মানুষ এই স্বপ্ন ইতিমধ্যে পূরণ করে আসছে। বাংলাদেশে এটি আরো দ্রুত সম্ভব কারণ 

আমাদের দেশের মানুষ কোরিয়ান পণ্য তথা বিদেশী পণ্য এমনিতে বেশি পছন্দ করে। 

এটোমি পণ্য দাম সাধারণ কোরিয়ান কোম্পানি চাইতে অনেক কম কিন্তু গুণগত মান অনেক ভালো। 

এটোমি ক্রেতা মনোভাবকে  সর্বোচ সম্মান এবং গুরুত্ব দিয়ে থাকে ,যেখানে অন্য প্রতিষ্টান পণ্য বিক্রি করে লাভ নিয়ে ব্যস্ত সেখানে এটোমি প্রতিটা পণ্য মানিব্যাক গেরান্টি দিচ্ছে। 

ডিজিটাল বাংলাদেশের অনলাইন ক্রেতাগন যখন একটি বিশস্ত অনলাইন শপ নিয়ে শঙ্কিত টিক সেই সময় পৃথিবিব্যাপি কোটি কোটি ক্রেতার বিশস্ত প্রতিষ্টান এটোমি বাংলাদেশী অনলাইন ক্রেতাদের জন্য এটোমি বাংলাদেশে অনলাইন শপিংমল শুভ উদ্ভোদন করতে যাচ্ছে। এই সুন্দর টাইমিং আমার স্বপ্নের যাত্রা করবে আরো গতিশীল। 


প্রশ্ন ২ এর উত্তর : এটোমি ৯ টি দেশে ব্রাঞ্চ উদ্ভোদন করতে সময় নিয়েছে প্রায় ৯ বছর কিন্তু সম্প্রতি মাত্র ২ বছরে এটোমি ১১ টি নতুন দেশে ব্রাঞ্চ শুরু করেছে এবং ৫৪ টি দেশকে অনলাইন ক্রেতা রেজিট্রেশন সুযোগ দিয়েছে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ যেখানে বাংলাদেশে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। করোনার মধ্যেও এটোমি তুর্কি ,নিউজিল্যান্ড ,ভারত ব্রাঞ্চ উদ্ভোদন করেছে।   আশা করা যাই ২০২১ এর শেষ বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হবে ইনশাল্লাহ। 

প্রশ্ন ৩ এর উত্তর : স্বপ্ন দেখলে স্বপ্ন পূরণ হয়ে যাই না ,স্বপ্নপূরণে নানাবিদ উদ্যোগ , কঠোর পরিশ্রম ,এবং সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা নির্ভর কাজ করতে হয়। যেমন এটোমিতে সফলতার জন্য এখন আমাদের করণীয় :

নিয়মিত নতুন নতুন ক্রেতা তৈরি করে যাওয়া। 

ক্রেতাগণকে এটোমি পণ্যের সাথে পরিচয় করানো ,পণ্য ব্যবহারে অভ্যস্ত করে তুলা। 

নিয়মিত নতুন নতুন এটোমি পেশাজীবী তৈরি করে যাওয়া ( যারা এটোমিতে ক্যরিয়ার তৈরি করতে চাই )

আপনি চাইলেও মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার ক্রেতা এবং কোটি কোটি টাকা বিক্রয় তৈরি করতে পারবেন না ,তাই ন্যূনতম ৩ বছর সময় হাতে নিয়ে কাজ শুরু করা। 

এটোমি পণ্যের নিয়মিত ব্যবহারকারি তৈরি করা। 

এটোমি পণ্য নিয়মিত বিক্রয়কারী তৈরি করা। 

নিয়মিত বিক্রয়ে নিজে সম্পৃক্ত হওয়া। 

অনলাইন কার্যক্রম নিজের টীম কে অভ্যস্ত করে তুলা। 

টীম কে নিয়মিত ফলআপ দিয়ে যাওয়া। 

নিজে এটোমি নিয়ে অধিক পড়াশুনা করা এবং টীম কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা। 

খুব শিগ্রই আমার স্বপ্ন নিয়ে তৃতীয় পর্ব লিখবো এই পর্যন্ত ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন। 


ধন্যবাদান্তে 

এটোমিয়ান কে এম রিজভী আমান


























Comments

Popular posts from this blog

কেন এটোমি